ষ্টাফ রিপোর্টার:
মৌলভীবাজার সরকারি কলেজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সোমবার দুপুরে প্রশাসনিক ভবনের কলাপসিবল গেট তালাবদ্ধ করেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মী। অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য তালাবদ্ধ থাকবে বলে একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়েছে নেতাকর্মী। তাদের অভিযোগ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: মনছুর আলমগীর একটি সিন্ডিকেট গড়ে ভুয়া বিল ভাউচার করে কলেজ ফান্ড থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করছেন। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের এ আন্দোলন চলবে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সোমবার দুপুরে মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ওয়ালিদ আহসান চৌধুরী নাহিদ এর নেতৃত্বে ২৫/৩০ জনের একটি দল প্রধান সহকারী সরপরি দে এর কাছে মিলাদ, অরিয়েন্টেশন সহ বিভিন্ন ব্যয়ের হিসাব দেখতে চান। কিন্তু তাদেরকে জানানো হয়নি। আন্দোলনকারীরা অধ্যক্ষের কক্ষে গিয়ে উনাকে পাননি। এসময় অধ্যক্ষের কক্ষে ইংরেজি বিভাগের প্রধান প্রফেসর মো: আব্দুল মালিক ও রসায়ন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান রফি উদ্দিন বসা ছিলেন। তারাও একাধিবার অধ্যক্ষকে ফোন করে কক্ষে এসে আন্দোলনকারীদের কথা শুনার অনুরোধ করেন। তারপরেও তিনি আসেননি। এক পর্যায়ে নেতাকর্মীরা শিক্ষক ও কর্মচারীদের বের করে প্রশাসনিক ভবনের কলাপসিবল গেট তালাবদ্ধ করে স্লোগান দেয়।
মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ওয়ালিদ আহসান চৌধুরী নাহিদ বলেন, “সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে আমরা মিলাদ, অরিয়েন্টেশন সহ কয়েকটি বিলের ভাউচার দেখতে চাইলে আমাদেরকে দেখানো হয়নি। অধ্যক্ষ নানা টালবাহানা করেন। এক পর্যায়ে আমরা প্রশাসনিক ভবনে প্রধান সহকারী’র কাছে গেলে তিনিও অধ্যক্ষ’কে অবগত করেন। তারপরেও আমাদেরকে বিল ভাউচার দেখানো হয়নি। অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের এ আন্দলোন। শিক্ষার্থীদের ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ বন্ধ না করলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে আমাদের এ আন্দোলন চলবে”।
এ বিষয়ে জানতে মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: মনছুর আলমগীর’কে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভি করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদেবার্তা পাঠালেও কোনো উত্তর দেননি।
মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের প্রশাসনিক ভবন তালাবদ্ধ



















