নিজস্ব প্রতিবেদক
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাহেল খাঁন ২০২৪ সালের শুরুর দিকে স্ত্রী তাহমিনা বেগম’কে সাথে নিয়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। বাংলাদেশে থাকাকালীন সময়ে তিনি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন না। শুধুমাত্র পারিবারিক কলহের জেড় ধরে তাকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রআন্দোলনের মামলায় আসামী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
সরজমিনে অনুসন্ধান করে জানা যায়, সিলেট দক্ষিন সুরমা উপজেলার বাসিন্দা মখদ্দস আলীর মেয়ে তাহমিনা বেগম এর সাথে সাহেল খাঁনের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তারা একে অন্যের প্রতি আসক্ত ছিল এবং একে অন্যকে মনে প্রাণে ভালোবাসতো। কিন্তু তাদের উভয় পরিবার সেই প্রেম ভালোবাসাকে মেনে নেয়নি। যার দরূণ তারা পারিবারিক সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে ২০২৩ সালে কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে বিবাহ করেন। যা উভয় পরিবারের লোকজন মেনে নেয়নি। পালিয়ে বিয়ে করার কারণে তাদের উভয় পরিবারের মান সম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ায় তাদেরকে চরম শায়েস্তা করতে তাদের পরিবারের লোকজন বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। তা তারা বুঝতে পেরে বিবাহের পরবর্তী সময়ে আত্মগোপন করে এবং ২০২৪ সালের শুরুর দিকে তারা বাংলাদেশ ত্যাগ করে। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক সাহেল খাঁনের এক সহপাঠি বলেন পরিবারের অমতে বিবাহ করার কারণে তার স্ত্রীর চাচাতো ভাই আলমাছ মিয়া ও সাহেল খাঁনের ভাই সেলিম খাঁন তাদের উপর চরমভাবে ক্ষিপ্ত হয়। মূলত সাহেল খাঁনকে ক্ষতিগ্রস্থ করার লক্ষ্যে আলমাছ মিয়ার বন্ধু বৈষম্য বিরোধী ছাত্রআন্দোলনের সমন্বয়ক থাকায় সাহেল খাঁনকে উক্ত রাজনৈতিক মামলায় আসামী করা হয়েছে।
উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট থেকে জানা যায়, সাহেল খাঁন এজাহার বর্ণিত আসামী থাকায় তার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট প্রেরণ করা হয়েছে। আদালত চার্জশীট গ্রহণ পূর্বক বিগত ১৬ জুন ২০২৫ ইং তারিখে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেন। এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন যে, এজাহারে সুনির্দিষ্ট নাম থাকায় তাকে উক্ত মামলায় দায় হতে অব্যাহতি দেয়া সম্ভব হয়নি।
প্রবাসে থেকেও বৈষম্য বিরুধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার আসামী হলেন মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বাসিন্দা সাহেল খাঁন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

















