বিশেষ প্রতিনিধি: ডাক্তার এবং কর্মচারীদের দায়িত্বহীনতায় ভেঁঙ্গে পড়েছে মৌলভীবাজারের একমাত্র বক্ষব্যাধি হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবা। রোগীরা এসে অপেক্ষা করেও সন্ধ্যান পাননি ডাক্তারের। চিকিৎসা না নিয়ে ফিরতে হয় অনেককে। ওই হাসপাতালে নূন্যতম সরকার নির্ধারিত সময় মানা হয়নি বললেই চলে। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যে যার মতো করে আসছে এবং যাচ্ছে।
সরেজমিন মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বর্ষিজোড়া এলাকায় অবস্থিত বক্ষব্যাধি হাসপাতালে গেলে দেখা যায়, সকাল ৯.৩৮ মিনিটে পরিচ্ছন্নতাকর্মী আব্দুর রব অফিস ঝাড়– দিয়ে দ্বিতীয় তলায় বসে আছেন। অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এক এক করে ১০টা থেকে ১০.২৮ মিনিটের মধ্যে আসেন। হাসপাতালের একমাত্র ডাক্তার অভি আহমদ ১০.৩১ মিনিটে হাসপাতালে প্রবেশ করেন। ইতিমধ্যে অনেক রোগী এসে ডাক্তারের অপেক্ষা করছেন।
এ সময় অপেক্ষাকৃত রোগীদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, কোনো দিনই সাড়ে ১০টার আগে ডাক্তার পাওয়া যায়নি। আবার দুপুর ১টার বাজার সাথে সাথে ডাক্তার চলে যান। স্থানীয় বাসিন্দা ও পার্শ্ববর্তী দোকানের কয়েকজন ব্যবসায়ীর সাথে কথা হলে তারা জানান, দূরদূরান্তের রোগীরা গাড়ি ভাড়া দিয়ে এসেও সময় মতো ডাক্তার পাননি। আবার সেবা নিতে আসা অনেককে দেখেছি জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে এসে ডাক্তার না পেয়ে বিফল মনে ফেরত যেতে।
প্রতিদিন ডাক্তার কখন আসেন জানতে চাইলে একাধিক কর্মচারী বলেন, সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে আসেন। আবার দুপুর ১টা বাজার সাথে সাথে চলে যান। ডাক্তার দেরিতে আসেন কেন এমন প্রশ্ন করলে কর্মচারীরা বলেন, “আমরা কি বস কে একথা জিজ্ঞাসা করতে পারব”।
সার্বিক বিষয়ে দায়িত্বরত ডাক্তার অভি আহমদ যুগান্তরকে বলেন, চেষ্টা করি সময় মতো আসার, তবে মাঝে মধ্যে দেরি হয়ে যায়। তাহলে আজ তো ১০.৩১মিনিটে এসেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সদর হাসপাতালে আমার এক বন্ধর সাথে দেখা করতে গিয়ে দেরি হয়েছে।
এবিষয়ে সিভিল সার্জন ডাঃ তউহীদ আহমদ বলেন, বিষয়টি অবগত হলাম। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।
২ ঘন্টা ডিউটি করেন ডাক্তার





















