খোর্শেদ আলম, জুড়ী প্রতিনিধি :
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে জুড়ী নদী থেকে আবুল কালাম বুলুচাঁন (৪২) নামে এক সিএনজি অটোরিকশাচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার ৫ নম্বর জায়ফরনগর ইউনিয়নের জাঙ্গীরাই গ্রামের পাশের জুড়ী নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আবুল কালাম বুলুচাঁন উপজেলার পূর্ব জুড়ী ইউনিয়নের বড় ধামাই গ্রামের মৃত ইন্তাজ আলীর ছেলে। তিনি জুড়ী নিউমার্কেট সিএনজি স্ট্যান্ডের চালক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে জুড়ী নদীতে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে জুড়ী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। মরদেহের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁর পরনে ছিল লাল রঙের গোলগলা গেঞ্জি।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, সিএনজি অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা আবুল কালাম বুলুচাঁনকে গলাকেটে হত্যার পর মরদেহটি জুড়ী নদীতে ফেলে দিয়ে তাঁর সিএনজি নিয়ে যায়। তবে এ ঘটনার প্রকৃত কারণ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
জুড়ী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান চুনু বলেন, আবুল কালাম বড় ধামাই গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি নিউমার্কেট সিএনজি স্ট্যান্ডের চালক ছিলেন। তাঁর গলা কেটে সিএনজি নিয়ে যাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হউক।
জুড়ী থানার এসআই (নিঃ) শামীম মিয়া ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।
জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তারা যতই কৌশলী হোক, আইনের হাত থেকে রেহাই পাবে না। তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
জুড়ীতে সিএনজি চালকের গ/লা/কা/টা ম/র/দে/হ উদ্ধার


















