স্টাফ রিপোর্টার:
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নে এক সপ্তাহে পাঁচটি দোকান ও একটি বসতঘর থেকে গরু চুরির ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে চারটি দোকানে চুরির ঘটনায় এলাকায় চোরচক্রের তৎপরতা নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ অক্টোবর শুক্রবার রাত তিনটার দিকে আইনপুর গ্রামের সাব্বির মিয়ার দোকানের তালা ভেঙে নগদ টাকা ও মালামাল চুরি করা হয়। এরপর ৮ অক্টোবর রাত দুইটার দিকে কাটারাই গ্রামের বাচ্চু মিয়ার বসতঘরের তালা ভেঙে দুটি গরু একটি গাভি ও একটি বাছুর নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে স্থানীয় লোকজন রাস্তার পাশে একটি বাছুর উদ্ধার করলেও গাভিটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এর একদিন পর, ৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) রাতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ইউনিয়নের চারটি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে। রাত আনুমানিক দুইটার দিকে চানপুর গ্রামের চুরুক মিয়া ও বাসিদ মিয়ার দোকানে এবং পরে রাত তিনটার দিকে খলিলপুর গ্রামের সানুর মিয়া ও মোশারফ মিয়ার দোকানে চুরি হয়। এসব দোকান থেকেও নগদ টাকা ও বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন দোকানিরা।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, পরপর চুরির ঘটনায় রাতে দোকানপাট নিরাপদ রাখা নিয়ে তাঁরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় রাতের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, একই ধরনের কায়দায় একের পর এক চুরির ঘটনায় সংঘবদ্ধ কোনো চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। দ্রুত চুরির ঘটনাগুলোর রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, কেউ যদি থানায় অভিযোগ করে আমরা অবশ্যই ব্যাবস্থা গ্রহণ করব।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, চুরি প্রতিরোধে পুলিশের নিয়মিত রাতের টহল বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীকেও সতর্ক থাকতে হবে।














