শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার::
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় অটোরিকশাটি বাসের চাপায় দুমড়ে-মুচড়ে যায়। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে আটটার দিকে ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার লছনা এলাকায় সাতগাঁও হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন হলেন—শ্রীমঙ্গল উপজেলার মাজদিহি চা-বাগানের বাসিন্দা অমৃত সিংয়ের ছেলে জয় সিং (২৪) এবং পাপ্পু নায়েক। নিহত অপর ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ময়মনসিংহের উদ্দেশে যাচ্ছিল ‘আলম এশিয়া’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস। লছনা এলাকায় বাসটির সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি বাসের চাপায় দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
খবর পেয়ে সাতগাঁও হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে অটোরিকশার ভেতর থেকে তিনজনকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাভিদ বলেন, রাত সোয়া নয়টার দিকে তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তবে হাসপাতালে আনার আগেই তাঁদের মৃত্যু হয়েছিল। তাঁদের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনের একটি পা ভেঙে গিয়েছিল।
চিকিৎসক আরও বলেন, নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর রাত পর্যন্ত তাঁদের কোনো স্বজন হাসপাতালে আসেননি। মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
সাতগাঁও হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই তিনজনকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি আটক করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।


















